সবাইকে শুভ সকাল।আশা করি আপনারা সকলেই ভালো আছেন।বেশ কয়েকদিন ধরেই EduportalBD এর ব্লগগুলো পড়ছি।নিজে ভাবছিলাম লিখব কিন্তু কীভাবে লিখতে হয়? তাই তো জানি না।পড়ে ব্লগের এই লেখাটা পড়ে শিখে নিলাম।আর আজ সাহস করে EduportalBD তে লেখা আমার প্রথম ব্লগটি লিখে ফেললাম।তাহলে চলুন জেনে নিই আমাদের বহুল ব্যবহৃত সিম-কার্ডের কিছু খবরা-খবর।

সিমকার্ডের ইলাবরেশন হলো সাবস্ক্রাইবার আইডেন্টিফিকেশন মডিউল (SIM)। ইলাবরেশন মানে বুঝেছেন তো? শব্দ সংক্ষেপকে যেমন বলে অ্যাব্রিভিয়েশন, ঠিক তেমনি ওই সংক্ষিত অক্ষরগুলোর পুরো লেখাকে বলে ইলাবরেশন।

এই যেমন, এখানে SIM অ্যাবরিভিয়েশন আর Subscriber Identification Module  হলো ইলাবরেশন। এখন প্রশ্ন হলো, এই সিমকার্ড কে বা কারা প্রথম বানিয়েছিলো, তাই তো?

প্রথম সিমকার্ড কে বানিয়েছিলো সেটা বলাটা একটু কঠিনই বটে। কারণ, প্রথম সিমকার্ড তৈরি করে একটি জার্মান কোম্পানি। সেই কোম্পানির কে প্রথম সিমকার্ড বানিয়েছিলো, তা তো আর আলাদা করে বলা যায় না? জার্মানির সেই কোম্পানিটির নাম ‘জিসেকে অ্যান্ড ডেভ্রিয়েন্ট’, সংক্ষেপে জিঅ্যান্ডডি (Giesecke & Devrient)। কোম্পানিটির হেডকোয়ার্টার জার্মানির মিউনিখ শহরে। ১৯৯১ সালে পৃথিবীর প্রথম সিমকার্ডও সেখানেই বানানো হয়।
তবে তাদের বানানো সিমকার্ড প্রথম যে কোম্পানি কেনে, সেটি কোনো জার্মান কোম্পানি নয়। ফিনল্যান্ডের কোম্পানি রেডিওলিনজা ওদের বানানো প্রথম ৩শ’টি সিমকার্ড কিনে নেয়। শুধু তাই নয়, পৃথিবীতে প্রথম এসএমএস (শর্ট মেসেজ সার্ভিস) সেবাও ওরাই প্রথম চালু করে, ১৯৯৩ সালে। প্রথম রিংটোন কিনে ডাউনলোড করার ব্যবস্থাও করে ওরা। সেটা ১৯৯৮ সালে।
পৃথিবীর প্রথমদিকের সেই সিমকার্ডগুলো কিন্তু দেখতে এখনকার মতো ছিলো না। সে সময়ের একেকটা সিমকার্ড আকৃতিতে ছিলো এখনকার একেকটা ডেবিট/ক্রেডিট কার্ডের সমান! সেটাকে বলা হয় ফুল-সাইজ সিমকার্ড। পরে সিমকার্ডের আকৃতি ধীরে ধীরে ছোট হয়ে আসে।

আমরা যেটা ব্যবহার করি, সেটার নাম মিনি-সিমকার্ড। এর চেয়েও ছোট আকৃতির আরো তিন ধরনের সিমকার্ড আছে- মাইক্রো-সিমকার্ড, ন্যানো-সিমকার্ড আর এমবেডেড-সিমকার্ড।