সেদিন “ভূত FM” শুনতে শুনতে মনে হল কেমন যেন ভয় ভয় লাগছে।আপনাদের লাগে নিশ্চয়ই। 😛 ঠিক করলাম প্যারানরমাল ব্যাপার নিয়ে কিছু একটা লিখব।কিন্তু তাতে বাস্তবতার চেয়ে কল্পনাই থাকে বেশি। 🙁 তারচয়ে চলুন আপনাদের আমি নিয়ে যাই যুগ যুগ ধরে শত শত রহস্যের গোডাউন “বারমুডা ট্রায়াঙ্গেঁলে”-এ।BE READY……… 😀


কী এই বারমুডা তিনকোনা (মানে ট্রায়াঙ্গঁল):

এই জায়গার নাম শুনে নাই এমন লোক মানে হয় কমই আছে।আশা করি আমি আপনাদের সকল কনফিউশন দূর করতে পারবো,(at least try করবো 😛 )বারমুডা ট্রায়াঙ্গেঁল মূলত একটি কাল্পনিক এিভূজ। এর সীমানার ভেতর কোন জাহাজ, বিমান যদি ভূলেও ঢুকে পড়ে তাইলেই হইছে!!! 😀

রেডিও সিগনাল নষ্ট হবে, কম্পাস লাটিমের মত ঘুরতে থাকবে।এমনকি রাডারও আপনাকে খুঁজে পাবে না।যারা বারমুডা সম্পর্কে বিন্দুমাএ জানেন তারা জানে যা, আমি একটুও মজা করছি না।শত শত উদাহরণ আছে। তার চেয়ে বড় রহস্য হল এখানে যারা গায়েব হয় তাদের বেশিরভাগই মেধা ও মননশীলতার দিক দিয়ে সমসাময়িকদের মাঝে অন্যতম।

সীমানা:

বারমুডা ট্রায়াঙ্গলের সীমানা বেশ সোজা সাপটা, কিন্তু জিনিসটা অতটা ভদ্র নয় রীতিমতো ভয়াবহ। দ্বীপটার নাম বারমুডা প্রথম আবিষ্কৃত হয় ১৫৬৫ সালে।আবিষ্কার করেন স্প্যানির্য়াড নাবিক জুয়ান ডি বারমুডেজ।তার নামানুসারেই নামকরণ করা হয় এই দ্বীপের।দক্ষিণে পুয়েরটো রিকো,সেখান থেকে পশ্চিমে ফ্লোরিডা হয়ে Gulf of Mexico এর বিন্দু,এখান থেকে আবার বারমুডা পর্যন্ত রেখা টানলে যে এিভূজ অংকিত হয় তাকেই বলা হয় বারমুডা ট্রায়াঙ্গেঁল।

কীভাবে গ্রাস করে বারমুডা:

মনে করুন আপনি একটি বানিজ্য নৌবহরের ক্যাপ্টেন। অতি সাহসী আপনি। বানিজ্য শেষে দেশে ফেরার পথে বারমুডা সম্পর্কে সকল আতংক উপেক্ষা করে শর্ট-কাটের(Short-cut) ধান্দায় ঢুকে পড়লেন বারমুডার সীমানায়। 😛 এগিয়ে চলেছেন, বিপদের চিহ্ন-মাএ নেই।

আপনার অধীনে থাকা পাঁচটি জাহাজের নাবিকদের উপর মেজাজ খারাপ হচ্ছে।ধূর ব্যাটা!বেকুব কোথাকার! শুধু শুধু ভয় পায়। এমন সময়……………….জাহাজের চারপাশে কালো হয়ে যেতে লাগল। সাগরের পানি।আপনার জাহাজ ফিরে সৃষ্টি হয় পানির ঘূর্ণিপাক।ভর দুপুরে সাগরে নেমে এল রাতের আঁধার আর তারপরই………

হায়,হায়!!!…….আমার গার্লফ্রেন্ডের সাথে দেখা করতে যাওয়ার সময় হয়ে গেল!বন্ধুরা ২য় পর্বে আবার শোনাব, Post Mortem করব বারমুডার। বিদায়~ 😛 😛 😀

পরবর্তি ও পুর্ববর্তি বারমুডার সকল পর্ব এখানেঃ