আমাদের এই দেশের আনাচে-কানাচে অসংখ্য কুঃসংস্কার ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে।এগুলো আমাদের লোক সাহিত্যেরই অংশ বিশেষ।কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের ব্যপার এই যে এই কুঃসংস্কার গুলো সংগ্রহের চেষ্টা কেউ করছে না।আসুন আমরা সবাই মিলে এই কুঃসংস্কার গুলো একত্রিত করি।EduportalBD.com এই কুঃসংস্কার গুলো কে সংগ্রহ করার চেষ্টায় এগিয়ে এসেছে।একার পক্ষে এত গুলো সংগ্রহ করা অসম্ভব প্রায়।তাই আপনাদের সহায়তা আমাদের একান্ত কাম্য।আপনার জানা কোনো কুঃসংস্কার থাকলে আমাদের গ্রুপে পোস্ট করে বা আপনি নিজেও সাইটে পোস্ট করে জানাতে পারেন।আশা করি আমাদের এই প্রচেষ্টায় আপনাদের সমর্থন পাবো।
❗ আমাদের ফেসবুক গ্রুপঃ www.Facebook.com/Groups/EduportalBD


  • লৌকিক ব্যাখ্যা: আমার মনে হয় এই কুসংস্কারটার মত জনপ্রিয় কুসংস্কার বোধ হয় খুব কমই আছে।কারণ বাংলাদেশ ও ভারত তো বটেই এমনকি পাকিস্তানের কয়েকটি সিনেমায় এই কুসংস্কার ব্যবহার করা হয়েছে।বোঝা যাচ্ছে আইনের মতই এই কুসংস্কারটার হাত অনেক ল….ম্বা…!মানুষের ধারণা হচ্ছে দুইজন মানুষের মাথায় মাথায় যদি ঠোকাঠুকি লাগে তবে নাকি মাথায় শিং গজায়।কি ভয়ংকর।

তাহলে উপায়?সেটাও আছে।যার সাথে ঠোকাঠুকি লেগেছে তার মাথায় নিজের মাথা দিয়ে আরেকটা বাড়ি দিন।ব্যাস নো টেনশন। আপনার মাথায় শিং গজানো !!!STOP!!!  (666)

বাংলার কুসংস্কার: মাথায় বাড়ি ও শিং-এর আর্বিভাব

  • বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: বৈজ্ঞানিকদের মতে মাথায় মাথায় ঠোকাঠুকি করে কেন গরুর জিন(Gene) মানুষের মাথায় ঢুকিয়ে দিলেও শিং গজাবে না।এর কোনও সম্ভাবনা নেই।সৃষ্টিকর্তা যাকে যতটুকু দরকার ঠিক ততটুকু দান করেছেন।মানুষের শারীরিক গঠন এমনই যে, মানুষের মাথায় শিংয়ের কোনই প্রয়োজন নেই। তাছাড়া এই কুসংস্কারটা যে ভুল তার বড় প্রমাণ হল, কেউ কি কোনদিন বাস্তবে কারো মাথায় শিং গজানো দেখেছে? 😯