ফেসবুকের হাত কত বড়,ভোটিং ক্ষেত্রেও তারা তাদের বিশাল হাত প্রসারিত করল।
 যুক্তরাষ্ট্রের আগামী ৬ নভেম্বর অনুষ্ঠেয় প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের জন্য ভোটার নিবন্ধনে ফেসবুকের সহায়তা নিচ্ছে কর্তৃপক্ষ।

ওয়াশিংটন অঙ্গরাজ্যের ভোটাররা জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগের ওয়েবসাইট ফেসবুকের মাধ্যমে নিবন্ধন করতে পারবেন। গত মঙ্গলবার অঙ্গরাজ্যের সচিবালয় এ কথা গর্বের সাথে ঘোষণা দিয়েছে। 😛

ব্যালেট বাক্সটা মনে হয় নিচের ছবির মতই হবে ।

এক্ষেত্রে ফেসবুকে ওয়াশিংটন অঙ্গরাজ্য প্রশাসনের একটি আবেদন থাকবে এবং বাসিন্দারা সেখানে ভোটার হওয়ার জন্য নিবন্ধন করতে পারবেন। এছাড়া ফেসবুকের  ’লাইক’ দিয়ে বন্ধুদের এ ব্যাপারে উৎসাহিত করা যাবে।গত বছর শুরু হওয়া এই কার্যক্রমের জন্য ওয়াশিংটন প্রশাসন, ফেসবুক এবং মাইক্রোসফট একসঙ্গে কাজ করে ‍আসছে। আগামী সপ্তাহে ফেসবুকে এ প্রক্রিয়া চালু হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আবেদন পত্রে তথ্য হিসেবে ড্রাইভিং লাইসেন্স নম্বর অথবা নাগরিক পরিচয়পত্র নম্বর দিতে হবে। সেই সঙ্গে তার নাম এবং জন্মতারিখও যুক্ত করতে হবে।

এক্ষেত্রে ফেসবুক শুধুমাত্র আবেদনকারীর নাম এবং জন্মতারিখ সংগ্রহ করতে পারবে। নিবন্ধনকারীর বিস্তারিত তথ্য প্রশাসনের Database সংরক্ষিত থাকবে এবং ফেসবুক কোনোভাবেই সেখানে প্রবেশের অনুমতি পাবে না বলে নিশ্চিত করেছে ওয়াংশিংটন অঙ্গরাজ্য কর্তৃপক্ষ।

ওয়াশিংটনে নিয়োজিত নির্বাচনের সহপরিচালক শেইন হামলিন বলেন, ‌সামাজিক যোগাযোগের আজকের এ যুগে যেখানে মানুষ খুব সহজে অনলাইনে যোগাযোগ করতে সক্ষম তখন ভোটার হিসেবে নিজের নাম নিবন্ধন করার এই প্রক্রিয়াটি খুবই স্বাভাবিক।“

তবে ফেসবুকে নিবন্ধনের ব্যাপারে অনেকে আপত্তি তুলেছেন। এর মাধ্যমে ব্যক্তিগত তথ্য হুমকির মুখে পড়তে পারে বলে অনেকের আশঙ্কা, যেখানে ফেসবুকের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে এ যাবত বহুবার অভিযোগ উঠেছে।

তবে হামলিন(ওয়াশিংটনে নিয়োজিত নির্বাচনের সহপরিচালক ) বলছেন, “ফেসবুক শুধু নিবন্ধনকারীদের নাম ও জন্মতারিখ সংগ্রহ করতে পারবে। তাই এ নিয়ে কারো উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই।”

তবে ফুটা খবর কি জানেন? ২০১০ সালে ওয়ালস্ট্রিট জার্নাল এক অনুসন্ধানে জানতে পারে, ফেসবুকের কিছু অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহারকারীদের পরিচয় পত্র অনেক বিজ্ঞাপন কোম্পানির কাছে পাঠায়। এতে করে তাদের ব্যক্তিগত তথ্য, প্রকৃত নাম ওই সব কোম্পানি জানতে পারে। এমনকি ব্যবহারকারীর প্রাইভেসি সেটিং যাইহোক না কেন এ ধরনে তথ্য পাচার বন্ধ থাকে না। 😎