একদা এক দেশে এক লোক ছিল । তিনি শিক্ষক মানুষ ছিলেন। তিনি দেখলেন যে এ দেশের গরিব মানুষরা কিছু করতে পারে না কারণ তাদের টাকা নেই । এখন তিনি ভাব্লেন এই মানুষ গুলোকে তিনি ঋণ দিবেন কিন্তু আমানত নিবেন না । তিনি এক্তি গ্রামের মহিলাদের কে ঋণ দিলেন । একটা পর্যায়ে সেটি সারা দেশে ছড়িয়ে গেল । অনেক মানুষ ঋণ নিল। কেউ বা অনেক লাভবান হল , কেউ বা কিছুটা কম। সৃষ্টি হল এক নুতুন ধারনা ,নুতুন অর্থনীতি । যার নাম ক্ষুদ্র ঋণ। 🙂

তখন তাকে আমরা বললাম তিনি নাকি সুদ খান । সুদ-খোর মানুষ । কিন্তু এই দেশের যারা ফাইল আটকে ঘুষ খান তাদের আমরা কিছুই বললাম না।
আস্তে আস্তে তার কথা সারা বিশ্বে ছড়িয়ে গেল । তিনি বিশ্বের সবচেয়ে বড় সম্মান নিয়ে আসলেন আমাদের জন্য । তাঁর নামের সাথে , তাঁর কাজের সাথে আমার দেশের নাম পরিচিতি পেল।

তার কিছু দিন পর ..আমাদের দেশের এক নেতা বললেন “আরে উনি কি যুদ্ধ থামিছেন যে তাঁকে শান্তিতে নোবেল দিতে হবে ???” (ভাগ্য ভাল উনি এটুকুই বলছেন , বলেননি তার দলের নেত্রী আসলে যুদ্ধ থামিছেন ! 😛 )

Grameen Bank …সারা বিশ্বে ছড়িয়ে যাচ্ছে । উনি এই ব্যাংকটা নিজের হাতে গড়েছেন । তাঁকে আমরা অপমান করে বের করে দিলাম ……তাকে বললাম আপনি রাজনৈতিক কারণে এই ব্যাংক পরিচালনা করেন !!!

হায়রে আমি , হায়রে আমরা …কোন বেকুবের দেশে আছি …!!!

আচ্ছা এই নেতারা কি এখনো এটা জানেন না যে ,নোবেল প্রাইজ পেতে হলে কোন যুদ্ধ থামাতে হয় না,ভালো কাজের রাস্তা তৈরী করে দিতে হয়…।।

উনি একটা পথ দেখিয়েছেন …আমাদের সব জান্তা এই নেতারা সেটিকে মানতে চান না …আচ্ছা যেখানে ডেস্টিনির(Destiny) মতন ভেজালে জিনিস আমাদের দেশে ইচ্ছা মতন ব্যবসা করে যায় তখন একজন নোবেল বিজয়ী মানুষ কে কেন আমরা তার মতন কাজ করতে দিব না ?????

আর যাই হোক, তিনি তো আমাদের এই রাজনীতিবি দের মতন আমজনতাকে বোকা বানাচ্ছেন না …