সূর্যের অতিবেগুনী রশ্মি থেকে পৃথিবীর প্রাকৃতিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, ওজোন স্তরের ফুটো ছোট হয়েছে ২০১১ সালের তুলনায়। জাতিসংঘ জানিয়েছে, পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর রাসায়নিক দ্রব্যগুলো নিষিদ্ধ করার ফলেই খুব ধীরে হলেও ছোট হয়ে আসছে ওজোন স্তরের ফুটো।

devil-island-iceberg-antarctica_34421_600x450

জাতিসংঘের আবহাওয়াবিষয়ক দফতর জানিয়েছে, ২৫ বছর আগে স্বাক্ষর করা মন্ট্রিয়ল প্রটোকলে পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর অনেক রাসায়নিক পদার্থ নিষিদ্ধ করায় অনেকাংশে কমানো গেছে পৃথিবীর ওজোন স্তরের ক্ষতি। তবে ২০১০ সালের তুলনায় এখনও বড় রয়ে গিয়েছে ওজন স্তরের ফুটোটি।

এক বিবৃতিতে ওয়ার্ল্ড মেটিওরলজিকাল অর্গানাইজেশন (ডব্লিউএমও) বলেছে, ‘আর্কটিক ওজোন স্তরের ফুটোটি এবছর ২০১১ সালে তুলনায় ছোটো হলেও ২০১০ সালের তুলনায় বড় হবে এমনটাই ইঙ্গিত করছে এবারের বার্ষিক তাপমাত্রা এবং মেরুঅঞ্চলের আকাশে মেঘের অবস্থান।’আর্কটিক ওজোন হোল বা উত্তরমেরুর ওজোন স্তরের ফুটোটির বর্তমার আকার ১ দশমিক ৯ কোটি বর্গকিলোমিটার। ২০০৬ সালে সবচেয়ে বড় আকার ধারণ করেছিলো ফুটোটি। প্রতিবছর সেপ্টেম্বর মাসের শেষ দিকে সবচেয়ে বড় আকার ধারণ করে ফুটোটি; আবার অক্টোবর মাসের শেষ দিকে ছোটো হয়ে আসে।
উব্লিউএমও আরো বলেছে, এক সময় রেফ্রিজারেটর এবং স্প্রে ক্যানে ব্যবহৃত ক্লোরোফ্লুরোকার্বন নিষিদ্ধ করা হলেও ওজোন স্তরের ওপর এই ক্ষতিকর রাসায়নিক পর্দাথটি যে পরিমাণ বিরুপ প্রভাব ফেলেছে তা কাটিয়ে উঠতে কয়েক দশক সময় লাগবে।