আবার ফিরে আসলাম।কেমন আছেন? ধুর…..বকবক বন্ধ করে আসল কথায় আসি। গত পর্বে শেষ করেছিলাম আপনার অধীনে পাচ্যটি জাহাজের বিশাল বাণিজ্য-বহর ও তাদের ঘিরে সাগরের পানি কালো হয়ে যাওয়া, ঝড় ওঠা পর্যন্ত, তো শুরু করি………. 😛

 

আপনার জাহাজগুলোকে ঘিরে দিনের বেলা নেমে এলো রাতের বিভীষিকাময় আধার।শুরু হল ঝড়।দুশো ফুট একেকটা ঢেউ ধেয়ে আসছে আপনার জাহাজের দিকে।হঠ্যাৎ ভেঙে পড়ল আপনি যে জাহাজটায় দাড়িয়ে আছেন তার মাস্তুল।সাথে সাথে থেমে গেল ঝড়। সম্পূর্ণ শান্ত হয়ে গেল সমুদ্র। স্থিতি হয়ে বাকি চারটা জাহাজের কথা মনে পড়ল আপনার।কিছুক্ষণ পর একটি জাহাজের সন্ধান পেলেন, বাকি তিনটি? ঠিক এ ঘটনাই ঘটেছিল ক্যাপ্টেন বোনিলার সাথে ১৭৫০ সালে। বাকি তিনটি জাহাজ আর কোন দিন ফিরে আসেনি।ডুবে গেলেও ছেড়া পাল, কাঠের টুকরা, মৃতদেহ ইত্যাদি ভেসে থাকার কথা কিন্তু সেসব ছিল না কিছুই। পরবর্তীতে আশেপাশে হাজার হাজার মাইল খোজা হলো খোঁজ মেলে নি হতভাগ্য তিন জাহাজের।

 

বারমুডায় হারিয়ে যাওয়া জাহাজ সমুহঃ

  • ১৮১১ সালের U.S. Navy এর দুর্ধষ জাহাজ “ওয়াসপ” নাম শুনলেই কলিজার পানি শুকিয়ে যেত আমেরিকার তখনকার শএু ব্রিটিশদের।নেভির সেরা সব নাবিক দ্বারা ঠাসা ছিল সেটি।১৮১২-১৩ সালের মাঝামাঝি সময়ে “বারমুডা ট্রায়াঙ্গেঁল” এলাকায় টহলের সময় হঠ্যাৎ গায়েব হয়ে যায়।কোনদিনই আর পাওয়া যায়নি তাকে।
  • ১৯০৯ সালে “Josua Slowcame” এর অধীনে থাকা “Spray” জাহাজটিও গায়েব হয়।দক্ষিণ আমেরিকা যাওয়ার পথে বারমুডা গ্রাস করে এটিকে। আগের মতোই কয়েকশ মাইল ঘাটলেও…….খোঁজ নাই ওরে খোঁজ নাই।
  • এরকমভাবে আজব অন্তর্ধানের শিকার হয়েছে আরও অনেক জাহাজ।তাদের মধ্যে অন্যতম কয়েকটি ১৮২৪ সালে ইউ.এস. ওয়াইল্ড ক্যান্ট।এটি গায়েব হয় কিউবা থেকে থম্পস যাওয়ার পথে।১৯৬৫ সালে “স্নোবয়” কিংস্টন থেকে মর্থ ইষ্ট বন্দরে যাবার পথে।

এরকম জাহাজ হারিয়ে যাওয়ার খবর আরও আছে।তবে তার মধ্যে আছে কিছু নিতান্তই মনগড়া কাহিনী।ওসব তাই নাই বা বললাম। আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ অজানা তথ্য এবং দুর্ধর্ষ কাহিনী নিয়ে দেখা হবে পরের পর্বে।বিমানের রহস্য, কুঁচের বর্ণনা,টাইম ট্রাভেল এসব তাহলে রইল।পরের পর্ব পড়তে ভুলবে না!! 😀