হিটলারের কথা মনে আছে আপনাদের? অত্যাচারী অথচ বিচক্ষন, সুক্ষ্ম বুদ্ধির অধিকারী সেই জার্মান রাষ্ট্রনায়ক।মৃত্যুর আগ পর্যন্ত নিজের বুদ্ধির কাছে বরাবরই বোকা বানিয়ে রেখেছেন পুরো বিশ্বকে।এমনকি তার মৃত্যু নিয়েও চরম রহস্য।আজ বারমুডা রহস্য নিয়ে যা বলব তার সাথে উপরের কথা গুলোর অন্য রকম একটা সম্পর্ক আছে।পড়তে থাকুন উওর পেয়ে যাবেন।

বর্তমান বিশ্বে চায়ের কাপে ঝড় তোলার জন্য যে বিষয় সমূহ সিদ্ধহস্ত, তার মধ্যে একটি হল ৩য় বিশ্বের দেশসমূহের উপর ১ম বিশ্বের দেশসমূহের অত্যাচার, আগ্রাসন।৩য় বিশ্বের দেশ সমূহের অশিক্ষা, দারিদ্র, কুসংস্কার ইত্যাদির সুযোগ নিয়ে নিজেদের স্বার্থ হাসিল করে নেয় ১ম বিশ্বের দেশগুলো।এবার কয়েকটা প্রশ্ন করি, যেগুলোর উওর দেখলেই বুঝতে পারবেন বারমুডার মধ্যে এইসব উদ্ভট কথাগুলো কেন বলছি,

  • বিশ্বায়ন ও মুক্ত বাজার অর্থনীতির বেড়াজালে কোন দেশ অন্য দেশকে শোষণ করছে?
  • U.F.O. সবচেয়ে বেশি দেখা গেছে কোন দেশে?
  •  U.F.O. নিয়ে সবচেয়ে বেশি রহস্যের সৃষ্টি করছে কোন দেশ?
  • উচ্চ প্রযুক্তির দাপট দেখিয়ে বিভিন্ন দেশ আক্রমণ ও সম্পদ হস্তগত করার ক্ষেত্রে কোন দেশ এগিয়ে?
  •  বারমুডা থেকে সবচেয়ে বেশি জাহাজ বা বিমান নিখোঁজ হয়েছে কোন দেশ?

রহস্যের গোডাউন বারমুডা ট্রায়াঙ্গল [পর্ব-৭]

সবগুলো প্রশ্নের উওর একই, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।হিজিবিজি লাগছে?ব্যাপারটা পুরো সাজিয়ে বলি, বারমুডা রহস্যের সমস্তটা যুক্তরাষ্ট্রের সৃষ্ট।একইভাবে U.F.O. বা এলিয়েন রহস্যও!!!পৃথিবীর অন্য মানুষদের মনে ধ্রুমজাল সৃষ্টি করে নিজেদের স্বার্থ রক্ষার জন্য এসব করা হয়েছে। 😯
এই কথাগুলো শুধু আমার না, বিশ্বের বহু খ্যাতনামা বিজ্ঞানী ও গবেষকদের।বলা হয়েছে, বারমুডা, “লিম্বো অফ দ্যা লষ্ট” ইত্যাদি রহস্যময় জায়গাগুলো আসলে বিশ্বের প্রভাবশালী কোন দেশের গোপন গবেষণাগার।সে সব জায়গাগুলো গোপন রাখার জন্যই মানুষের মনে তারা ভয় সৃষ্টি করছে এসব ব্যাপারে।

এক্ষেত্রে আবার অবশ্য দুই ধরনের মতবাদ রয়েছে।এক পক্ষ বলে, U.F.O. এলিয়েন, বারমুডা এসব USA এর সৃষ্টি।অন্যপক্ষ বলে, ঠিক তা না, রহস্য ঠিকই আছে কিন্তু সেসব নিয়ে গবেষনার জন্য এবং একক স্বার্থ সিদ্ধির জন্যই এসব ব্যাপারগুলো নিয়ে স্পষ্ট করে কিছুই বলছে না যুক্তরাষ্ট্র।

এসব রহস্য উদঘাটনে কাজ করেছেন কুসচে ও ড. জেসাপের মত ব্যক্তিরা।ড. জেসাপ বলেছিলেন, বারমুডা রহস্য ও যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কে অনেক রহস্য জেনেছি আমি।শুধু প্রকাশের অপেক্ষা। পরদিনই US Navy অফিসে ডাক পড়ে তার। ঠিক এক মাস পরে তাকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায় তার নিজের গাড়িতে। 😥

তবে যত দোষ, নন্দ ঘোষ এর মত শুধু যুক্তরাষ্ট্রকে দোষ দেয়া যায় না।প্রযুক্তি বা অর্থনীতিতে শক্তিশালী অন্যান্য দেশগুলো যেমন: চীন, জাপান, কোরিয়া, অষ্ট্রেলিয়া, রাসিয়া ইত্যাদি দেশগুলোও রহস্যের পিছনে থাকতে পারে।মোট কথা, বারমুডা ট্রায়াঙ্গেলের অপার রহস্য হয়তোবা মানব সৃষ্ট।সে যাই হোক কোন দেশকে সরাসরি অপমান করার আমার কোন ইচ্ছা নেই।আমার কথাগুলোর সত্যতা যাচাইয়ের দায়িত্ব আপনাদের উপরই ছেড়ে দিলাম।আগামী পর্বে আবার দেখা হবে। 😎