অনেক সহজ সহজ জিনিস নিয়ে লিখেছি। এবার একটু কঠিন জিনিস নিয়ে লেখা যাক । পড়ে কিন্তু মাথা ঘুরতে পারে ।আগে থেকেই সাবধান করে দিলাম। 😀

বিশ্বায়ন (globalization) মানে কি ?
বিশ্বায়ন পারষ্পরিক ক্রিয়া এবং আন্তঃসংযোগ সৃষ্টিকারী এমন একটি পদ্ধতি যা বিভিন্ন জাতির সরকার, প্রতিষ্ঠান এবং জনগণের মধ্যে সমন্বয় ও মিথস্ক্রিয়ার সূচনা করে। যার মুল হিসেবে কাজ করে অর্থনীতি এবং নিয়মক হিসেবে কাজ করে তথ্যপ্রযুক্তি । খুব কঠিন হয়ে গেল??? 😛 সহজ করে বলি এক কথায় বলতে গেলে,  “বিশ্বায়ন এমন একটি প্রক্রিয়া যেটির দ্বারা রাষ্ট্র কেন্দ্রিক সংস্থাগুলো নিজেদের মধ্যে সম্পর্ক গড়ে তোলে ।”
এখন এটির মডেল নিয়ে যদি কথা বলতে হয় আলোচনা করা যেতে পারে সাধারণ কিছু জিনিস নিয়ে ।আমরা ফেসবক ব্যবহার করি ।এটি সারা বিশ্বের মানুষের মধ্যে সম্পর্ক গড়ে তুলছে। একজনের সাথে আর এক জনের সম্পর্ক গড়ে উঠছে। এটাই বিশ্বায়নের মডেল। Google সারা ওয়ার্ল্ড এর মানুষ ব্যবহার করে । বিশ্বায়নের কারণেই , কারণ এটি মানুষকে একটি জালের মধ্যে আনতে পেরেছে । আমরা বিদেশী গান শুনি , সিনেমা দেখি । কিভাবে ??? বিশ্বায়নের কারণে । একটি দেশের সাথে আর একটি দেশের সম্পর্ক এটি করে দিয়েছে ।

তারমানে বিশ্বায়ন মানে একটি দেশের সাথে আর একটি দেশের সম্পর্ক তৈরি হওয়া।:-)

সাধারন উদাহরন দিয়েছি । এবার একটু কঠিনে যাই(ভয় পাবেন না 😛 ) আমাদের দেশ USA কিনবা Europe সবচেয়ে বেশি পোশাক রপ্তানী করে। আমাদের অর্থনীতির সাথে তাদের অর্থনীতির একটি সম্পর্ক তৈরি হয়ে গেল। ওরা যত বেশী কিনবে আমাদের আয়ও তত বাড়বে । এই যে সম্পর্কটি তাকে বিশ্বায়নের সম্পর্ক বলতে পারি ।

আবার আমার উন্নতি করতে কিছু প্রযুক্তি দরকার । সেটা আমার নেই আছে জাপানের কাছে । আমি যখন জাপানের থেকে সেটি নিতে চাব । তখন আমার সাথে জাপানের একটু চুক্তি হবে, যেহেতু জিনিসটা জাপানের , আমাকে সে দিবে , তাতে তার কিছু চাহিদা থাকতে পারে । সেটি পূরণ করে আমাকে নিতে হবে । তখন ঋণ , সহায়টার মত টার্ন ঘুরে চলে আসে।World bank , Imf এভাবেই পরিচালিত হয়। যার যেটি নেই , সেটি পেতে মরিয়া হয় , যার ফলে নির্ভরশীলতা তৈরি হয় । বাজার দখলের প্রস্ন আছে ।
মোটামুটি এটিই বিশ্বায়নের মডেল । আরো ভেতরে গিয়ে লেখা হবে অন্য কোন দিন।

সবাইকে কষ্ট করে পড়ার জন্য ধন্যবাদ।