বাংলাদেশে রাজনীতিতে একটি শব্দ আমরা খুব শুনতে পাই। গুম । আমরা কিছু দিন আগে একজন নেতার নিখোঁজ হওয়ার কথা শুনেছি।তিনি বিরোধী দলের নেতা ছিলেন। অনেক দিন পর আবার গুম হয়ে যাওয়ায় বাংলাদেশের রাজনীতির মাঠ গরম হয়ে উঠেছে ।আসুন বাংলাদেশে গুমের কিছু তথ্য জানা যাক। যা হয় তো আপনি জানেন না ।


বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার কিছুদিন পর নিখোঁজ হন জহির রায়হান । বলা যেতে পারে সেটিই শুরু । ১৯৭১ থেকে ১৯৭৫ এ নিখোঁজ এর সঠিক তথ্য পাওয়া যায়নি।১৯৭৫-১৯৯১ এই সময়টাতে অনেক সেনা কর্মকর্তা গুম হোন। তার তালিকা কেউ দিতে পারেনি ।

তবে গুম বড় আকার ধারণ করে ১৯৯১ সালের পরে।তবে আতঙ্ক হিসেবে সামনে আসে ২০০১ সাল থেকে ।২০০১ থেকে এ পর্যন্ত ৮৫৯৯ জন মানুষ নিখোঁজ হয়েছেন বলে পুলিশের নথিতে আছে।অলোচিত একটি হচ্ছে ২০০১ সালের ব্রিটিশ এক পর্যটককে অপহরন করা হয়। ২০০১ থেকে ২০০৫ এর মধ্যে আলোচনায় আসে অপহরনের পর খুনের ব্যাপারটি। খুন করে লাশ টুকরো করে ফেলার মত ঘটনাও হতে।

তবে গত ২৭ মাসে ১২৫ জন মানুষ কে অপহরন বা গুম করা হয় যার মধ্যে অধিকাংশ ব্যক্তি রাজনীতির  সাথে জড়িত.যার মধ্যে ৩ জনকে ছেড়ে দেওয়া হয় , লাশ পাওয়া যায় ২১ জনের আর বাকিদের কোন খবর নেই ।

সর্বশেষ আমরা ইলিয়াস আলীর গুমের খবর পাই। তাকে ১৯ এপ্রিল রাতের পর থেকে পাওয়া যায়নি। সরকার তাকে খোঁজার চেষ্টা করছে জানালেও বিরোধী দল হরতাল দিয়ে চলেছে ।
তবে একটি বাজে খবর দেই । বাংলাদেশকে পর্যটন শিল্পে এগিয়ে নেওয়ার বাধা হতে পারে এটি 🙁 … ২০০৮ সালে নিউজিল্যান্ড সরকার তাদের পর্যটক দের বাংলাদেশে কিছু সাবধানতা রাখতে বলা হয়েছে।তাদের একটি website মতে:-

  • “There is high risk to your security in the Chittagong Hill Tracts region and we advise against all tourist and other non-essential travel to this region due to the high risk of kidnapping and unstable security situation.”
  • ”There is some risk to your security elsewhere in Bangladesh due to the unpredictable security and political situation and threat from terrorism and we advise caution.”

তাহলে Beautiful Bangladesh ব্রান্ডিং কতটা ক্ষতির সামনে পরছে সেটা কি বুঝতে পেরেছেন ??……